Tuesday, January 01, 2019

সুরা আল - কাহাফ শুক্রবারে পাঠ করার ফযিলত

সুরা আল-কাহাফ শুক্রবারে পাঠ করার ফযিলত

দাজ্জালের ফিতনা হতে রক্ষা ।
অর্থঃ
(ক) নবি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “ যে ব্যক্তি জুম’আর রাত্রিতে সূরা কাহাফ পাঠ করবে, তাঁর জন্য স্বীয় অবস্থানের জায়গা হতে পবিত্র মক্কা পর্যন্ত একটি নূর হবে ” ।[সহীহ তারগীব ওয়াত্ তারহীব, হাদীছ নং- ৭৩৬] ঘ. অন্য বর্ণনায় এসেছে,নবি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম বলেন: “ যে ব্যক্তি জুমআর দিনে সূরা কাহাফ পাঠ করবে, তারজন্য পরবর্তী জুমআ পর্যন্ত আলোকময় হবে ” । [সহীহ তারগীব ওয়াত্ তারহীব, হাদীছ নং- ৭৩৬]
(খ) আবূ দরদা রদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের প্রথম দিক থেকে দশটি আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের (ফিতনা) থেকে পরিত্রাণ পাবে।” 
অন্য বর্ণনায়: ‘কাহাফ সূরার শেষ দিক থেকে’ উল্লেখ হয়েছে। (মুসলিম) [1] আমি (আলবানী) বলছি: দ্বিতীয় বর্ণনাটি শায আর প্রথম বর্ণনাটি নিরাপদ (সহীহ্) যেমনটি আমি “সিলসিলাহ্ সহীহাহ্” গ্রন্থে (নং ৫৮২) তাহকীক্ব করেছি। এর সাক্ষ্য দিচ্ছে নাওয়াস ইবনু সাম‘আনের আগত হাদীসটি। যেটিকে (১৮১৭) নম্বরে লেখক উল্লেখ করেছেন। কারণ এতে বলা হয়েছে যে, তোমাদের মধ্য থেকে যে ব্যক্তি দাজ্জালকে পেয়ে বসবে সে যেন তার বিপক্ষে সূরা কাহাফের প্রথম অংশ পাঠ করে। মুসলিম ৮০৯, তিরমিযী ২৮৮৬, আবূ দাউদ ৪৩২৩, আহমাদ ২১২০০, ২৬৯৭০, ২৬৯৯২ হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
(গ) নবি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম আরও বলেছেন: “ যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন তারজন্য এমন একটি নূর হবে, যা তার অবস্থানের জায়গা থেকে মক্কা পর্যন্ত আলোকিত করে দিবে। আরযে ব্যক্তি উহার শেষ দশটি আয়াত পাঠ করবে।
তার জীবদ্দশায় দাজ্জাল বের হলেও সে তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। [সিলসিলায়ে সহীহা,হাদীছনং-২৬৫১]
ﺑِﺴْﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴﻢِ
পরম করুনাময় সীমাহীন দয়ালু আল্লাহর নামে [ শুরু করছি ]
1. সব প্রশংসা আল্লাহর যিনি নিজের বান্দার প্রতি এ গ্রন্থ নাযিল করেছেন এবং তাতে কোন বক্রতা রাখেন নি।
2. একে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন যা আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি ভীষণ বিপদের ভয় প্রদর্শন করে এবং মুমিনদেরকে যারা সৎকর্ম সম্পাদন করে- তাদেরকে সুসংবাদ দান করে যে, তাদের জন্যে উত্তম প্রতিদান রয়েছে।
3. তারা তাতে চিরকাল অবস্থান করবে।
4. এবং তাদেরকে ভয় প্রদর্শন করার জন্যে যারা বলে যে, আল্লাহর সন্তান রয়েছে।
5. এ সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞান নেই এবং তাদের পিতৃ পুরুষদেরও নেই। কত কঠিন তাদের মুখের কথা। তারা যা বলে তাতো সবই মিথ্যা।
6. যদি তারা এই বিষয়বস্তুর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন না করে, তবে তাদের পশ্চাতে সম্ভবত: আপনি পরিতাপ করতে করতে নিজের প্রাণ নিপাত করবেন।
7. আমি পৃথিবীস্থ সব কিছুকে পৃথিবীর জন্যে শোভা করেছি, যাতে লোকদের পরীক্ষা করি যে, তাদের মধ্যে কে ভাল কাজ করে।
8. এবং তার উপর যা কিছু রয়েছে, অবশ্যই তা আমি উদ্ভিদ শূন্য মাটিতে পরিণত করে দেব।
9. আপনি কি ধারণা করেন যে, গুহা ও গর্তের অধিবাসীরা আমার নিদর্শনাবলীর মধ্যে বিস্ময়কর ছিল?
10. যখন যুবকরা পাহাড়েরগুহায় আশ্রয়গ্রহণ করে তখন দে‘আ করে: হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে নিজের কাছ থেকে রহমত দান করুন এবং আমাদের জন্যে আমাদের কাজ সঠিকভাবে পূর্ণ করুন।